বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং, রাত ১১:৪৭
শিরোনাম :
বরিশালে সাগরদী মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেনকে ফের হয়রানী, সুষ্ঠু তদন্ত দাবি! ২৮ অক্টোবর ইতিহাসের এক জঘন্যতম কালো অধ্যায়: অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু সরকার বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হতে দেবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী পাঁচ বছরে ১০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য সরকারের: আইসিটি মন্ত্রী সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণ ও ডিজিটাল সচেতনতায় নলছিটিতে সংলাপ অনুষ্ঠিত বরিশালে সুদ ও তাবিজ বিতর্কে মসজিদের ইমাম: পরিবর্তনের দাবি দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর :কনস্যুলেটের দুর্বলতা ছিল কিনা,জানতে চেয়েছে সংসদীয় কমিটি ইরাকের কুর্দিস্তানে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক মক্কা ও জেদ্দায় সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব

ই-ট্রাফিক যুগে যাত্রা শুরু করবে (বিএমপি) পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক:বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ(বিএমপি) তে চালু হচ্ছে “ই-ট্রাফিক প্রসিকিউশন এন্ড ফাইন পেমেন্ট সিস্টেম”। এরমধ্যদিয়ে বরিশালে প্রথমবারের মতো ডিজিটাল ডিভাইজে মামলা করতে যাচ্ছে ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা।
কর্মকর্তাদের দাবী, এরমধ্য দিয়ে জনসাধারণকে দ্রুত সময়ের মাধ্যমে যেমন সেবা প্রদান করা যাবে, তেমনি কাগজপত্র-লাইনে দাঁড়ানোর বিড়ম্বনার মতো বিষয়গুলো এড়ানো সম্ভব হবে। পাশাপাশি ট্রাফিক পুলিশের সদস্যদের মাঝেও কর্মচাঞ্চল্যতা বৃদ্ধি পাবে।
শুক্রবার সকালে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আগামী ৫ আগষ্ট বেলা ১২ টায় ট্রাফিক বিভাগের ই-ট্রাফিক প্রসিকিউশন এন্ড ফাইন পেমেন্ট সিস্টেম” কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধণ করবেন পুলিশ কমিশনার মোঃ শাহাব উদ্দীন খান বিপিএম বার।
ওই অনুষ্ঠানে ট্রাফিক বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ খাইরুল আলমের সভাপতিত্বে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ঢাকার এ্যান্টিটেররিজম ইউনিটের প্রধান সিস্টেম এ্যানালিষ্ট হামিদুল ইসলাম।
এছাড়াও মেট্রোপলিটন পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দসহ প্রযুক্তি সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় বিভিন্ন গণপরিবহন ও পণ্যপরিবহন সমিতির নেতৃবৃন্দ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন।
সূত্রমতে, “ই-ট্রাফিক প্রসিকিউশন এন্ড ফাইন পেমেন্ট সিস্টেম” নামক প্রযুক্তি নির্ভর কার্যক্রম শুরু করার জন্য প্রাথমিকভাবে ৩৫টি পজ মেশিন সরবরাহ করা হয়েছে এবং উদ্বোধনের আগে বিএমপি’র ট্রাফিক বিভাগের ৪০ জন সদস্যকে প্রশিক্ষন দেয়া হবে। যাদের মধ্যে ট্রাফিক বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার, সহকারী পুলিশ কমিশনারসহ চারজন ট্রাফিক পরিদর্শক, ১৮জন সার্জেন্ট, সাতজন টিএসআই, একজন এটিএসআই রয়েছেন।
ট্রাফিক বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ খাইরুল আলম বলেন, ই-ট্রাফিক প্রসিকিউশন এন্ড ফাইন পেমেন্ট সিস্টেম নামক প্রযুক্তি নির্ভর কার্যক্রমের মধ্যদিয়ে আমাদের ট্রাফিক বিভাগ পুরোপুরি ডিজিটাল যুগে প্রবেশ করলো। বর্তমানে ম্যানুয়াল ও সনাতন পদ্ধতিতে ট্রাফিক পুলিশকে মামলা দায়ের ও জরিমানা আদায় করতে হয়। এতে চালকসহ সাধারণ মানুষের মনে নানান প্রশ্ন দেখা দেয়। যা নিয়ে পুলিশের সাথে বচসা করেও সময় নষ্ট করেন অনেকে। কিন্তু ডিজিটাল এ প্রযুক্তি মাধ্যমে মামলার কপি নিয়ে যানবাহন চালক বা মালিককে ট্রাফিক অফিসে কিংবা ব্যাংকে গিয়ে আগের মতো লাইনে দাঁড়াতে হবেনা। আর আমরাও কেউ কোন ধরণের কারচুপি করতে পারবো না।
তিনি বলেন, মামলা দায়েরের সাথে সাথে মেশিন থেকেই জরিমানার স্লিপ বের হয়ে আসবে। যা নিয়ে মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে তাৎক্ষনিক জরিমানার অর্থ পরিশোধ করে মামলা নিস্পত্তি করা সম্ভব হবে। এতে যেমন ট্রাফিক পুলিশের সময় সাশ্রয় হবে, তেমনি জনগনের সন্দেহও দুর হবে।
উল্লেখ্য, ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগে প্রতিমাসে গড়ে সর্বনিন্ম আড়াই হাজার ও সর্বচ্চ চার হাজার দুইশ’ মামলা দায়ের করা হয়েছে।